Blog

০১. ভিটামিন ই তেলঃ ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি ব্রণের কালো

ত্বক আদৌ কি ফর্সা করা যায়? টিভি খুললে বা বিলবোর্ডের দিকে তাকালেই চোখে পড়বে ত্বক ফর্সা করার চটকদারি বিজ্ঞাপন। অনেকে প্রশ্নও করেন, ত্বক কি আসলেই ফর্সা করা যায়? তাদের যুক্তি টেলিভিশনে একাধিক লেজার ও এসথেটিক সেন্টার থেকে বলা হয়, ত্বক

গরমে যেমন ত্বকে ব্রণ, ব়্যাশ, ফুসকুড়ি সহ নানা সমস্যা দেখা যায়। তেমনি চুলেরও নানা সমস্যা দেখা যায়। চুলের ডগা ফাটা থেকে শুরু করে চুল ওঠা পর্যন্ত নানা সমস্যা দেখা যায়। গরমে এই চুলের সমস্যা এতটাই মারাত্মক আকার ধারন করে যে

অফিস থেকে ফিরেই বিয়েবাড়ি বা পার্টি। হাতে সময় বেশি নেই। ওদিকে সারাদিনের দৌঁড়ঝাপের ক্লান্তি চোখে-মুখে-ত্বকে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। ত্বকে সতেজভাব না থাকলে ফ্যাশনেবল পোশাক পরেও কোনও লাভ নেই। কী করবেন? জেনে নিন, পাঁচ মিনিটে কীভাবে এই ক্লান্তি দূর হবে-গোলাপ জল:

ডালনেস, খুশকি সহ আরও অনেক চুলের সমস্যায় জর্জরিত থাকে। অনেক সময় শ্যাম্পু করার পরদিনই চুল কেমন যেন চিটচিটে হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে ধূলো বালি খুব সহজে আটকে যায় আর শুরু হয় চুল পড়া, ড্যামেজ হওয়ার মত হাজার সমস্যা। সঙ্গে সঙ্গে চুলের

আমাদের স্কিনের পোরস গুলোতে প্রতিনিয়তই ময়লা জমে। এই ময়লা ঠিক মতো পরিষ্কার করা না হলে এর উপর আরও বেশি তেল ময়লা জমতে থাকে। এক সময় তা বাতাসের সংস্পর্শে এসে অক্সিডাইযড হয়ে ব্ল্যাকহেডস এর রূপ নেয়। শুরু থেকে সচেতন না হলে

চুল প্রত্যেক মানুষের খুব অমূল্য সম্পদ। মানুষের বাইরের রূপের অনেকখানি থাকে মাথার চুল। সুন্দর সুস্থ চুল কে না চায়! চুল মানুষের চেহারার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। আর সুন্দর ঝলমলে চুল সেই সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। মাথার চুল বেশি ঝরে গেলে অনেকেই

নিয়মিত গ্রিন টি বা সবুজ চা পান করলে ঠান্ডা ও কফের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই গবেষণা করেন। গবেষকরা বলেন, ফ্লেবোনয়েডস-জাতীয় খাবার ঠান্ডা রোধ করতে বেশ কার্যকরী। ফ্লেবোনয়েডস পাওয়া

একদিন মাথায় ঘন চুল ছিল। কিন্তু, যত দিন যাচ্ছে তত মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য। এখন যেন কেমন নিষ্প্রাণ দেখায়। দেখলে মনে হয়, বয়সটা সত্যিই বাড়ছে। কিন্তু, সবে আপনি তিরিশ পেরিয়েছেন। এখনই এভাবে বুড়িয়ে গেলে

যত দিন বাড়ছে তত ক্রমশই পরিবেশে দূষণের মাত্রা বেশি হচ্ছে। যার ফলে ক্রমশই বাড়ছে গ্রিনহাউজ় গ্যাসের প্রভাব। এর ফলে বায়ুস্তরে ওজন স্তরে ছেদ দেখা দিচ্ছে এবং সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মিগুলি ওজনস্তর ভেদ করে পৃথিবীতে এসে পৌঁছাছে। এই সূর্যরশ্মি যখন আমাদের ত্বকে

কিছুদিন হল ম্যানিকিওর ও পেডিকিওর করিয়েছেন। কিন্তু, এর মধ্যেই হাতে পায়ের গিটে কালো দাগ পড়ে গেছে। এই নিয়ে চিন্তিত? চিন্তা করবেন না। আগে ভেবে দেখুন, এমন দাগের কারণ কী? নানা কারণে এটি হতে পারে। যেমন, প্রতিনিয়ত ঘষা খাওয়ার ফলে আঙুলের

এগুলি করলে আপনার ত্বকের হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিআমরা দৈহিক সৌন্দর্যের দিক থেকে ত্বকের যত্ন নেয়াকেই অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। স্ক্রাব ও ফেইসওয়াস ব্যবহার, ফেইসমাস্ক ও উপটান দেয়া, নিয়মিত মুখ ধোয়া, ফেসিয়াল ইত্যাদি সহ নানা কিছুর মাধ্যমে ত্বকের যত্ন নেন

Home
Account
0
Search